August 1, 2021, 12:34 am

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজর সম্মুখে পানির ঝর্ণা তৈরিতে নিম্নমানের ইট ও বালি

হাবিবুল্লাহ বাহার হাবিব সাতক্ষীরা:: সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ এর সামনে পানির ঝর্ণা নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির কথা উঠেছে। নিম্নমানের ইট ও বালু দিয়ে তৈরি হচ্ছে এই পানির ঝর্ণা। ঠিকাদার এসব নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে বিনা বাধায় শত শত মানুষের সামনে পানির ঝরনা স্থাপনা নির্মাণ করছে। মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রাস্তা ,পানির ট্যাংকি, পাইপলাইন ,পানির ঝর্ণা তৈরীর কাজ পায় এক ঠিকাদার। কাজের শুরুতে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে দায়সারা ভাবে কাজ করে যাচ্ছে এই ঠিকাদার।যার ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয় এসব কাজ অতি স্বল্প সময় ও অতি সহজে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। নিম্নমানের কাজ চলাকালে এলাকার সচেতন মানুষ এসব দুর্নীতির ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছে। বর্তমান এসব দুর্নীতির কথা এলাকার লোকজনের মুখে মুখে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পানির ঝর্ণা টি তৈরির সময় নিয়োগকৃত সাইড ইঞ্জিনিয়ার ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এর সামনেই এসব কাজ হচ্ছে।  নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করলেও তারা  রহস্যজনক কারণে ঠিকাদারদের কোন প্রকার বাধা প্রদান করেননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় লোকজন বলেন ,শুরু থেকেই এই ঠিকাদার নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে তাদের কাজ করে যাচ্ছে। সিডিউল অনুযায়ী এক নাম্বার ইট দেওয়ার কথা থাকলেও নিম্নমানের ইট‌ ও বালু  ব্যবহার করছে। নিম্নমানের ইট যা চুলার মাটির চেয়েও নরম।১৩ ই ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে তিনটার সময় সরোজমিনে দেখা যায়, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সম্মুখে পানির ঝর্ণা টি নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করার সত্যতা মিলেছে।


এ ব্যাপারে, সার্বিক কাজে  দায়িত্বরত রাজুর মোবাইল নাম্বারে কল দেওয়া হয়। এবং ঠিকাদারের নাম জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, ঠিকাদারের নাম জানিনা তবে তিনি ঢাকায় থাকেন। ঠিকাদারের পরিবর্তে আমি সার্বিক কাজ দেখাশুনা করি।নিম্নমানের ইট ব্যবহারের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিউ আলী ব্রিকস এ আমরা এক নাম্বার ইটের  টাকা পরিশোধ করেছি। কিন্তু ইটভাটার মালিক যদি নিম্নমানের ইট দেয়  আমরা কি করবো। আপনারা নিউ আলি ব্রিকস এ জিজ্ঞাসা করেন। তারা কেন নিম্নমানের ইট দিচ্ছে । ইটভাটার মালিক নিম্নমানের ইট দিলে আমাদের করার কিছুই নেই। তিনি আরো বলেন, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কোটি কোটি টাকার কাজ হয়েছে। আপনারা এতদিন কোথায় ছিলেন । খোঁজ নেননি কেন? এখন খোঁজ হচ্ছে আমাদের কাজে। আমি সিডিউল অনুযায়ী কাজ করছি। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আছেন ,সাইড ইঞ্জিনিয়ার আছেন ,এক্সেন স্যার আছেন ,তাদের চেক দিয়ে আমি কাজ করছি। আপনারা কিছু জানতে চাইলে তাদের কাছে  করুন। আমার কাছে নয়।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মোঃ রফিকুল ইসলামের মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করলে তাকে পাওয়া যায়নি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর